• রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

ভিসা রেকর্ড গোপনীয়, তাই নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি : ম্যাথিউ মিলার

অনলাইন ডেক্স / ৩৯ Time View
Update : বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, ‘ভিসা রেকর্ড গোপনীয়, তাই নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। আর ভিসা নীতির লক্ষ্য হলো, কোনো পক্ষ নেয়া নয়; বরং বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা বা সমর্থন করা।

মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

ব্রিফিং-এ তিনি বলেন, ‘আমি বলবো যে, শুক্রবার আমাদের ঘোষিত নতুন ভিসা বিধিনিষেধের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী, ক্ষমতাসীন দল এবং রাজনৈতিক বিরোধী দল, উভয় পক্ষের সদস্যই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত মে মাসে নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেন। সে সময় উদ্দেশ্য ছিল কোনো পক্ষ নেয়া নয়; বরং বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা বা সমর্থন করা।’

ভিসা বিধিনিষেধে গণমাধ্যমকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা যা বলেছি এবং ভিসা রেকর্ড গোপনীয় হওয়ায় আমরা নির্দিষ্ট সদস্য বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম প্রকাশ করিনি। তবে, এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে এগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, ক্ষমতাসীন দল এবং রাজনৈতিক বিরোধী দলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।’

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের মন্তব্যের পর বিষয়টি স্পষ্ট করেছে দূতাবাস। সোমবার একটি ফেসবুক পোস্টে বলেছে, ‘আমরা (ভিসা সীমাবদ্ধতা) নীতিটি যে কারো বিরুদ্ধে ভারসাম্যপূর্ণ উপায়ে প্রয়োগ করছি (যারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করে)। এর মধ্যে সরকারপন্থী, বিরোধী দল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, বিচার বিভাগের সদস্য বা মিডিয়া ব্যক্তিরা রয়েছে।’

ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র ব্রায়ান শিলার বলেছেন, ‘যে কাউকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন ‘ক্ষুণ্ণ’ করতে দেখা গেলে, ভিসা নিষেধাজ্ঞার নীতিটি তার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে ভোট কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো, জনগণকে তাদের সংগঠনের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতার অধিকার প্রয়োগ করতে বাধা দেয়ার জন্য সহিংসতার ব্যবহার এবং রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ বা মিডিয়াকে প্রতিরোধ করার জন্য পরিকল্পিত ব্যবস্থার ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মিলার বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’

সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ